মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

বিশেষ অর্জন

           বিষয়

কার্যক্রমের সংক্ষিপ্ত বিবরণ

জেলা ই-সেবা কেন্দ্র

 

বতর্মান সরকারের ঈপ্সত তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সম্প্রসারণ এবং ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে বাগেরহাট

জেলা প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণে ইতোমধ্যেই সেবা প্রদানে সুপ্রশিক্ষিত ও সুদক্ষ কর্মকর্তা/ কর্মচারীদের নিয়ে একটি সুসজ্জিত ই-সেবা কেন্দ্র খোলা হয়েছে। ১৪ নভেম্বর,২০১১খ্রি: তারিখে জেলা ই-সেবা কেন্দ্র চালু হওয়ার পর থেকেগত সাড়ে চার মাসে এ সেবা কেন্দ্র থেকে সেবা নিয়েছেন প্রায় ৩০,০০০ নাগরিক।

সি সি ক্যামেরা স্থাপন

 

বাগেরহাট জেলা ই-সেবা কেন্দ্রকে একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ সেবা কেন্দ্রে পরিনত করতে, ই-সেবা কেন্দ্রের উপর গ্রাহকের আস্হা সুদৃঢ় করতে এবং

জেলা প্রশাসকের কার্যালয়,বাগেরহাট এর নিরাপত্তা জোরদার করার লক্ষ্যকে সামনে রেখে জেলা প্রশাসন, বাগেরহাট এর স্ব-উদ্যোগে এবং স্হানীয় ব্যবস্হাপনায় বাগেরহাট কালেক্টরেটের ০২(দুই)টি প্রবেশপথসহ বিভিন্ন

শাখায় (ই-সেবা কেন্দ্র ও রেকর্ডরুমসহ) ইতোমধ্যে ০৯ টি Closed Circuit Camera (সিসি ক্যামেরা) স্হাপন করা হয়েছে। রেকর্ডরুমের সাথে সংশ্লিষ্ট দালাল ও মুহুরী সিন্ডিকেট এর অপতৎপরতা রোধে, রেকর্ডরুম সহকারীদের

কাজের তদারকিতে জেলা কাউন্টারে সেবা প্রাথীদের প্রতি কাউন্টার সহকারীদের পরিশীলিত আচারন দ্বারা উৎকৃষ্ট

সেবা নিশ্চিতকরণে কর্মকর্তা/ কর্মচারীগণের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ ও কালেক্টরেটের সার্বিক নিরাপত্তাবিধানে জেলা

প্রশাসক ইতিমধ্যেই  সিসি ক্যামেরাসমূহের মাধ্যমে তাঁর নিজ অফিসকক্ষে বসে সার্বক্ষণিকভাবে দাপ্তরিক কাজকর্ম

অবলোকন করছেন, যার ফলশ্রুতিতে সেবার উৎকর্ষতা অনেকগুন বৃদ্ধি পেয়েছে।

জেলা তথ্য বাতায়ন

 

ক) ভিশন-২০২১ বাস্তবায়ন তথা ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষ্য সামনেরেখে বাগেরহাট জেলা তথ্য বাতায়নের মাধ্যমে কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ওপর্যটনের প্রসার সম্পর্কিত তথ্যসমূহ নিয়মিতভাবে হালনাগাদ করা হচ্ছে ।

খ) জেলা তথ্য বাতায়নের ই-ডিরেক্টরিতে জেলার বিভিন্ন দপ্তরের ঠিকানাসহফোন নম্বরসমূহ সংরক্ষণ করা হচ্ছে। এ ছাড়া এই তথ্য বাতায়নের মাধ্যমে স্থানীয়সরকার বিষয়ক এবং জনগণের জন্য প্রয়োজনীয় আইন ও পলিসি সম্পর্কে জনগণকে তথ্যপ্রদান করা হচ্ছে। সরকারের নির্দেশনা সম্বলিত গুরম্নত্বপূর্ণ চিঠিপত্রাদিজেলা তথ্য বাতায়নের ডিজিটাল গার্ড ফাইলে সংরক্ষণ করা হচ্ছে। জেলা তথ্যবাতায়নে ফ্রন্ট ডেস্ক এবং ইউনিয়ন তথ্য ও সেবা কেন্দ্র সম্পর্কিত মেন্যুওখোলা হয়েছে। এখানে এনজিওদের তালিকাও সন্নিবেশিত হয়েছে।

গ)জেলা তথ্য বাতায়নের হোম পেইজ-এ বিদ্যমান ইণ্টারফেস এ জনগণের প্রয়োজনে আরো কিছু উপাদান, যেমন-ডিজিটালগার্ড ফাইল, সিটিজেন চার্টার, ডিজিটাল ডিস্ট্রিক্ট প্রোফাইল, বোর্ড/বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্যাদি, আইন ও পলিসি, ফ্রন্ট ডেস্ক, ইউনিয়ন তথ্য ওসেবা কেন্দ্র, জণগণের সভা, এনজিওদের তালিকাইত্যাদি সংযোজন করারফলে বাগেরহাট জ়েলা তথ্য বাতায়নের দর্শনার্থীর সংখ্যা প্রতিদিনই বাড়ছে। ডিজিটাল গার্ড ফাইলজেলা তথ্য বাতায়নে সংযোজন করার ফলে জনগণসহ বিভিন্ন দপ্তরের জন্য প্রয়োজনীয়সরকারী নির্দেশনাসমূহ প্রাপ্তি সহজতর হয়েছে। এতে জেলা প্রশাসনের সঙ্গেজনগণের যোগাযোগ আরো ঘনিষ্ঠ হয়েছে ।

ফ্রন্ট ডেস্ক স্থাপন

সরকার কর্তৃক সূচিত জনহিতৈষী ও সেবামূলক প্রশাসনের বিভিন্ন ইতিবাচক ওযুগোপযোগী পদক্ষেপ সম্পর্কে সঠিকভাবে অবহিতকরণ ও জনগণের দুর্ভোগ লাঘব করেজেলা প্রশাসনকে গতিশীল করার প্রয়াসে  জেলা প্রশাসকের কার্যালয়েরনীচ তলায় ১০৪ নম্বর কক্ষে ফ্রন্টডেস্ক স্থাপন করা হয়েছে। সেবা প্রার্থীজনসাধারণকে তথ্য সেবা প্রদানের লক্ষে ফ্রন্ট ডেস্কে একটি টেলিফোনসহ একটিকম্পিউটার স্থাপন করা হয়েছে। ফ্রন্টডেস্কে জেলাধীন বিভিন্ন অফিসের ঠিকানা, ফোন নম্বর, কর্মকর্তা/ কর্মচারীদের হালনাগাদ তথ্য, জেলা প্রশাসকেরকার্যালয়ের বিভিন্ন অফিস কক্ষ ও শাখাসমূহের অবস্থান সম্পর্কিত কক্ষ নম্বরনির্দেশিকা, বিভিন্ন শাখার কার্যক্রম বা জনসেবামূলক সিটিজেন চার্টারসংরক্ষণ করা হয়েছে। জনগণকে সহজে তথ্য সেবা প্রদানের লক্ষে্য একজন অফিসসহকারী জনগণকে বিভিন্ন তথ্য প্রদান করছেন এবং বিভিন্ন দপ্তরের সাথেযোগাযোগের জন্য সহায়তা করছেন। ফলে সারা জেলায় জেলা প্রশাসনেরভাবমূর্তিপ্রোজ্জ্বল হয়েছে। ফ্রন্ট ডেস্ক ছাড়াও আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্বলিত ‘‘এক কেন্দ্রে সেবা’’ প্রদানের লক্ষে্য ফ্রন্ট ডেস্কের পাশ্ববর্তীএকটি সুপরিসর কক্ষে জেলা প্রশাসনে আগত সেবা গ্রহীতাদের অচিরেই ‘‘এককেন্দ্রে সেবা’’ থেকে সেবা প্রদান করার কার্যক্রম গ্রহণ করাহয়েছে।

খ) ফ্রন্ট ডেস্ক এর মাধ্যমে জনগণকে তথ্য ও যোগাযোগ সেবা প্রদান ছাড়াওতাদের আবেদন নিবেদন নিষ্পত্তির ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। এতে জেলাপ্রশাসনের কর্মকর্তা কর্মচারীদের মধ্যে সেবার মনোভাব গড়ে উঠছে এবং জনগণওএকে সাদরে গ্রহণ করেছে ।

সাপ্তাহিক জনগণের সভা

সপ্তাহের অন্যান্য দিনের সাক্ষাৎছাড়াওপ্রতি বুধবার দিন ব্যাপীজেলা প্রশাসক জনগণের অভাব, অভিযোগ, আবেদন, নিবেদন শুনছেন এবংতাৎক্ষণিকভাবে নিষ্পত্তিযোগ্য বিষয়সমূহ তৎক্ষণাৎনিষ্পত্তি করে জনগণকে সেবাপ্রদান করা হচ্ছে। এ ছাড়াও টেলিফোনে বা লিখিতভাবে বিভিন্ন দপ্তর/ব্যক্তিরসাথে যোগাযোগ করে জনগণের অভাব, অভিযোগ, আবেদন, নিবেদন নিষ্পত্তি করাহচ্ছে।জনগণের সভার সিদ্ধান্তসমূহ লিখিতভাবে জেলা তথ্য বাতায়নে প্রকাশ করাহচ্ছে। এতে জনদুর্ভোগ লাঘবসহ সরকারের প্রতি জনগণের ইতিবাচক মনোভাব তৈরীহচ্ছে। মামলা মোকদ্দমা হ্রাসেও জনগণের সভা প্রভাবকের ভূমিকা পালন করছে ।জনগণের সভার প্রতিবেদন স্থানীয় পত্র পত্রিকাসমূহে সচিত্র প্রকাশিত হয়েছে ।

ডিজিটাল বাংলাদেশ বিষয়ক জনসচেতনতা

ক) সমাজের সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে ডিজিটাল বাংলাদেশ বিষয়ে সচেতনতাতৈরীর লক্ষ্যে জেলা প্রশাসকের তত্ত্বাবধানে জেলা ও উপজেলায় ‘‘ডিজিটালবাংলাদেশ ও আমাদের করণীয়’’ শীর্ষক সেমিনার বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

খ) জেলা প্রশাসক স্বয়ং বিভিন্ন সভা সেমিনারে ডিজিটাল বাংলাদেশবাস্তবায়নে করণীয় বিষয়ে ব্যাপক প্রণোদনা কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। তিনিবিভিন্ন উপজেলা সফরের সময় উপজেলার জনপ্রতিনিধিবর্গ, সর্বস্তরের সরকারীকর্মকর্তা, সাংবাদিকবৃন্দ ও স্থানীয় জনগণের সাথে ডিজিটাল বাংলাদেশ বিষয়কমতবিনিময় সভায় মিলিত হচ্ছেন । এ সকল সভাতে জেলা প্রশাসক ডিজিটাল বাংলাদেশবাস্তবায়নে আমাদের সকলের করণীয় সম্পর্কে, মাদক পাচার ও অপব্যবহার সম্পর্কেগণসচেতনতা বৃদ্ধি ও ইভটিজিং সম্পর্কে আলোকপাত করার পাশাপাশি বিগত সাড়ে তিন বছরেসরকারের অর্জিত বিভিন্ন সাফল্য সকলের নিকট তুলে ধরেছেন। ফলে সরকারের ভাবমুর্তি সমুজ্জ্বল হচ্ছে। তাছাড়া জেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহ পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক ছাত্র-ছাত্রীদেরকে ডিজিটালবাংলাদেশ বিষয়ে সম্যক ধারণা প্রদান করছেন এবং ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণেতাদের করণীয় সম্পর্কে উৎসাহ প্রদান করছেন। জেলা প্রশাসকের এরূপ নিরলসপ্রচেষ্টার কারণে সরকারী বেসরকারী দপ্তরসহ জন প্রতিনিধিবর্গ, মিডিয়া, ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দ ও সর্বস্থরের সাধারণ জনগণের মধ্যে ডিজিটাল বাংলাদেশ বিষয়ে একটি স্বচ্ছধারণার সৃষ্টি হয়েছে। জনগণ এতে ব্যাপকভাবে উদ্বুদ্ধ ও অনুপ্রাণিত হচ্ছে।

গ) বর্তমানে ইউনিয়ন তথ্য ও সেবা কেন্দ্রসমূহের কেন্দ্র পরিচালকদেরকম্পিউটার প্রশিক্ষণ অব্যহত আছে। জেলার সকল জনগণ তথ্য ও সেবা কেন্দ্রে এসে  খুব অল্প সময়েও কম খরচে ইণ্টারনেটের মাধ্যমে বৈদেশিক যোগাযোগ, কম্পোজ, প্রিণ্টিং, স্ক্যানিং, ই-মেইলের, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তির ফরম পুরণ, পরীক্ষার ফলাফল, বাজারদরসহ অন্যান্য সেবাসমুহ গ্রহণ করতেপারছে। জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দিতে ইউনিয়ন তথ্য ও সেবা কেন্দ্রসমূহব্যাপক ভূমিকা রাখছে ।

ঘ) উপজেলা পর্যায়ে কমিউনিটি ই-সেণ্টার স্থাপনের মধ্য দিয়ে জনগণকে সহজে ও দ্রম্নততম সময়ে সেবা প্রদান করার কার্যক্রম হাতে নেয়া হয়েছে। এ কার্যক্রমের অংশ হিসাবে জেলার বাগেরহাট সদর ও মোড়েলগঞ্জ উপজেলায় কমিউনিটি ই-সেন্টার খোলা হয়েছে। এর ফলে উপজেলায় এসেও জনগণ সেবা গ্রহণ করতে পারছে।

ঙ) জেলার ০৯ টি উপজেলায় মধ্যে ৫৭ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কম্পিউটার ল্যাব স্থাপন করা হয়েছে। এসকল ল্যাবসমুহ যথাযথভাবে পরিচালনা ও মালামাল রক্ষণাবেক্ষনের জন্য জেলা প্রশাসকউদ্যোগী ভূমিকা নিয়েছেন। এতে ছাত্র ছাত্রীসহ জনগণের মধ্যেe-learningবৃদ্ধি পেয়েছে। ইতোমধ্যে এ সকল প্রতিষ্ঠানের সকল কম্পিউটার শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ প্রদানকরা হয়েছে।

জেলা প্রশাসকের কার্যালয়েLAN সংযোগ স্থাপন

বাগেরহাট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের মোট ৩৬ টি কম্পিউটারে  ইতোমধ্যে LANসংযোগ স্থাপন করা হয়েছে। এ কার্যালয়ের অবশিষ্ট কক্ষসমূহে LAN সংযোগ বৃদ্ধির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যহত আছে। এ কার্যালয়ে Wi-Fiনেটওয়ার্কস্থাপনের মাধ্যমে বিভিন্ন শাখার মধ্যে আন্তঃযোগাযোগ ব্যবস্থাগ্রহণের জন্য বিটিসিএলকে পত্র প্রেরণ করা হয়েছে।

 

 

 

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক

 

১। জেলা প্রশাসক বাগেরহাট মহোদয় বাগেরহাট জেলার মুক্তিযোদ্বা এবং মুক্তিযোদ্বা পরিবারের সাথে প্রতিদিন এক ঘন্টা করে তাদের সমস্যা শোনার জন্য সৌজন্য সাক্ষ্যাৎ করেন এবং সমস্যাবলী আন্তরিক ভাবে সমাধানের চেষ্টা করেন। এছাড়া স্বাধীনতা দিবস, বিজয় দিবস,ঈদ ও পূজায় ফুলের শুভেচ্ছা দিয়ে তাদেরকে সিক্ত করেন।

২। বিজয় দিবস ও স্বাধীসতা দিবসে অস্বচ্ছল মুক্তিযোদ্বাদের পুর্নবাসনের জন্য সেলাই  মেশিন, ঢেউটিন বিতরন করেন। ঈদের দিনে শাড়ী, লুঙ্গী, কম্বল বিতরন করেন। তাছাড়া পঙ্গু অন্ধ মুক্তিযোদ্বাদের মধ্যে হুইল চেয়ার  ও সাদা ছড়ি বিতরন করেন। 

৩। জেলা প্রশাসক, বাগেরহাট এর উদ্যোগে ডাকবাংলো ঘাট বধ্যভূমি স্মৃতি- ফলক নির্মান করেন।

শাখা ভিত্তিক সিটিজেন চার্টার

সরকারী কার্যক্রমে জনপ্রশাসনে অধিকতর গতিশীলতা সৃষ্টি ও সেবার মানউন্নয়নের লক্ষে বাগেরহাট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে বিভিন্ন শাখা ভিত্তিকসিটিজেন চার্টার প্রণয়ন করা হয়েছে এবং তা জনসাধারণের নিকট অবহিত করারব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। জেলা তথ্য বাতায়ন ও ফ্রণ্ট ডেস্কেও সিটিজেনচার্টার প্রদর্শিত হচ্ছে।

ভূমি বিষয়ক

কৃষিখাসজমি:

বেকারত্ব হ্রাস, দারিদ্র্যবিমোচন ও আর্থসামাজিক উন্নয়নের জন্য Key Performance Indicator এর আওতায় ০১/০১/২০০৯ হতে৩১/০৮/২০১২পর্যন্তমোট ২৩৯৭ টি পরিবারকেনিষ্কন্টক সরকারি কৃষি খাস জমি স্থায়ী বন্দোবস্তপ্রদান করা হয়েছে।

 

অকৃষি খাসজমি:

অকৃষি খাসজমি ব্যবস্থাপনা ও বন্দোবস্তনীতিমালা, ১৯৯৫ এর আওতায় জেলা স্কাউটভ বননির্মাণ, নির্বাচন কমিশনের বাগেরহাট জেলাসার্ভারস্টেশননির্মাণএবংবিদ্যালয়বিহীনএলাকায়১টিপ্রাথমিকবিদ্যালয়নির্মাণেরজন্যইতোমধ্যেঅকৃষিখাসজমিবন্দোবস্তপ্রদানকরাহয়েছে।এছাড়াডায়াবেটিকহাসপাতাল, ক্যান্সারহাসপাতাল, শিশুএকাডেমি, শহীদশেখফজলুলমনিকারিগরিবিদ্যালয়এবংশেখহেলালউদ্দিনডিগ্রীকলেজেরঅনুকূলেঅকৃষিখাসজমিবন্দোবস্তপ্রদানেরকার্যক্রমপ্রক্রিয়াধীনআছে।

 

হাট-বাজারব্যবস্থাপনা:

বাগেরহাটজেলায়ছোটবড়মোট১৬৮টিহাট-বাজাররয়েছে।প্রতিবছরহাট-বাজারইজারাপ্রদানকরেবিপুলপরিমাণরাজস্বআয়হয়।তাছাড়াহাট-বাজারেরপেরিফেরিভূক্তঅকৃষিখাসজমিবন্দোবস্তনীতিমালাঅনুযায়ীক্ষুদ্রক্ষুদ্রব্যবসায়ীদেরঅনুকূলেব্যবসায়িকউদ্দেশ্যেএকসনাভিত্তিকইজারাবন্দোবস্তপ্রদানকরেগ্রাম্যঅর্থনীতিরউন্নয়নসহগ্রামাঞ্চলেনিত্যপ্রয়োজনীয়দ্রব্যাদিরসরবরাহনিশ্চিতকরাহচ্ছে।

 

আশ্রয়ণ-২প্রকল্প:

 

মাননীয়প্রধানমন্ত্রীরবাগেরহাটসফরকালেজনগণেরকাছেদেয়াপ্রতিশ্রুতিমোতাবেকভূমিহীন, গৃহহারাছিন্নমূলপরিবারপুনর্বাসনেরলক্ষ্যে০১/০১/২০০৯হতে৩০/০৬/২০১২পর্যন্তআশ্রয়ণ-২প্রকল্পেরআওতায়ইতোমধ্যে০৩টি(শরণখোলাউপজেলায়ধানসাগরজহুরআলী, রামপালউপজেলায়পাড়গোবিন্দপুরওমোল্লাহাটউপজেলারচরদাড়িয়ালা) আশ্রয়ণ-২প্রকল্পবাস্তবায়িতহয়েছে।এতেনির্মিতমোট৭০টিপাঁচইউনিটবিশিষ্টপাকাব্যারাকেমোট৩৫০টিপরিবারকেপুনর্বাসিতকরাহয়েছে।মোংলাউপজেলায়মাকোড়ঢোনআশ্রয়ণ-২প্রকল্পে২১টিপাঁচইউনিটবিশিষ্টপাকাব্যারাকনির্মাণাধীনআছেযেখানে১০৫টিপরিবারপুনর্বাসনকরাযাবে।এছাড়ারামপালউপজেলাররামনগরওচাকশ্রীএবংমোঙলাউপজেলারউলুবুনিয়াওপাকখালীআশ্রয়ণ-২প্রকল্পপ্রস্তাবাধীনরয়েছে।

 

 

গুচ্ছগ্রাম(সিভিআরপি) প্রকল্প:

 

ভূমিহীন, গৃহহারাছিন্নমূলপরিবারপুনর্বাসনেরলক্ষ্যে০১/০১/২০০৯হতে৩০/০৬/২০১২পর্যন্তভূমিমন্ত্রণালয়পরিচালিতগুচ্ছগ্রাম(সিভিআরপি)  প্রকল্পেরআওতায়বাগেরহাটজেলায়মোট০৭টিগুচ্ছগ্রামসৃজনকরেমোট৩৩০টিপরিবারপুনর্বাসিতকরাহয়েছে।